ভিয়েতনামে সীমিত সরবরাহের কারণে গত সপ্তাহে কফির বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা গেছে। কৃষকরা বড় পরিসরে সরবরাহ করতে অনিচ্ছুক থাকায় বাজারে পণ্যটির কেনাবেচা কমে গেছে। একই সময় ইন্দোনেশিয়ায় উৎপাদিত কফিতে মূল্যসংযোজনে তেমন একটা ওঠানামা দেখা যাচ্ছে না বলে সম্প্রতি দেশটির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ভিয়েতনামের সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস অঞ্চলে কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি বিক্রি করছেন ৯৮ হাজার ৩০০ থেকে ৯৮ হাজার ৮০০ ডং (৩ ডলার ৭৪ সেন্ট থেকে ৩ ডলার ৭৬ সেন্ট) দরে। এটি আগের সপ্তাহের কেজিপ্রতি ৯৭ হাজার ৫০০ থেকে ৯৮ হাজার ২০০ ডংয়ের তুলনায় কিছুটা বেশি।
আন্তর্জাতিক বাজারে মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে রোবাস্তা কফির দাম বুধবারের লেনদেন শেষে টনে ২ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৫৫ ডলারে।
কফি উৎপাদন অঞ্চলের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘কৃষক ও রফতানিকারকদের মধ্যে দাম নিয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় অনেক চুক্তি চূড়ান্ত হচ্ছে না। বর্তমানে কফি সংগ্রহের মৌসুম চলছে। এ কারণে রফতানিকারকরা কম দামে কৃষকদের কাছ থেকে পণ্যটি কিনতে চাইছেন। অন্যদিকে কৃষকরা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা ও ভালো দামের আশায় কফি মজুদ করে রাখছেন।’
এদিকে ইন্দোনেশিয়ায় সুমাত্রা অঞ্চলের রোবাস্তা কফি ফেব্রুয়ারিতে সরবরাহের জন্য টনপ্রতি ২১০ ডলার সংযোজিত মূল্যে প্রস্তাব করা হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহের ২১৫ ডলারের তুলনায় কিছুটা কম।’
ইন্দোনেশিয়ার কফিচাষীরা জানান, উৎপাদন অঞ্চলের আবহাওয়া কফি গাছের জন্য অনুকূলে নেই। পশ্চিম লামপুংয়ের কফিচাষী বুখোরি বলেন, ‘অতিবৃষ্টির কারণে অনেক কফি চেরি ঝরে পড়েছে। ফলে আগস্টে শুরু হওয়া মূল মৌসুমে কফি উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’